আমরা আমাদের আদর্শ ও চরিত্র কে রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর আদর্শ মত গড়ে তুলি

অর্থ,বংশ,ও আভিজাত্য উত্তম নয়,
চরিত্র ও আদর্শই উত্তম।
********************
হাকিম লুকমানের একটি প্রসিব্ধ ঘটনা,একদিন তাহার মালিক একটি ছাগল দিলেন আর বলিলেন যে,
ইহা জবাই করিয়া সেই অংশ টুকু নাও যাহা সব চাইতে উত্তম। সুতারাং ছাগল জবাই করিয়া কলিজা
ও জিহব্বা বাহির করিয়া মালিকের সামনে পেশ করেন।
দ্বীতিয় দিন পুনরায় একটি ছাগল দিয়া বলিলেন
ইহা জবাই করিয়া সেই অংশ টুকু নাও যে টুকু সব
থেকে মন্দ। তিনি সেটিকেও জবাই করিয়া তাহার
কলিজা ও জিহব্বা বাহির করিয়া মালিকের সামনে
পেশ করিলেন।
ইহাতে মালিক আশ্চায্য হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন,
একই অংশ ভাল এবং মন্দ হই কিভাবে। ইহা কি
করিয়া সম্ভব?
তিনি উত্তর দিলেন যে কলিজা এবং জিহব্বা উভয়টিই উত্তম বস্তু। কিন্তু ভাল মন্দের স্বীকৃতি লাভ
হয় চরিত্র ও আদর্শের কারনে। যাহার চরিত্র ও আদর্শ রাসুলুল্লাহ সঃ এর অনুকরনে হয়, তাহাই উত্তম।
এবং যাহার আদর্শ ও চরিত্র রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর আদর্শের পরিপন্থী হয় তাহাই নিঃকৃষ্ট

হাদিসঃ রাসুলুল্লাহ সঃ বলেন, মানুষের শরিরের
অভ্যন্তরে একটুকরা গোশত রহিয়াছে। উহা যদি পবিত্র হয়, তাহলে সমস্ত শরীরই পবিত্র থাকে। আর
যদি উহা কলুসীত হয় সমস্ত শরীরই কলুসীত হয়।
আর উহাই হইতেছে ক্বলব বা অন্তকরন।

Leave a Comment: