বাংলাদেশ-চীন ২৭ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ-চীন ২৭ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই ২০১৬

দু’দিনের ঐতিহাসিক সফরে ঢাকায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং (Welcome Chinese President Mr. XI JINPING) ,৩ দশক পর  চীনের কোন প্রেসিডেন্ট এর বাংলাদেশ সফর। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সফররত চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।পরে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ১৫টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি হয়েছে সরকার টু সরকার পর্যায়ে। যার ১২টি লোন এগ্রিমেন্ট ও মিউচুয়াল এগ্রিমেন্ট। মোট সাতাশটি। 

 

বাংলাদেশ-চীন ২৭ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

 

জঙ্গিবাদ, ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো, সমুদ্র সহযোগিতা, কর্ণফুলি টানেল নির্মাণসহ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ ও চীন।

কী কী বিষয়ে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক হয়েছে জানতে চাইলে কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, মেরিটাইম খাতে সই হয়েছে।তিনি বলেন, ইকোনোমিক ও টেকনিক্যাল কো-অপারেশন ও একটা ফ্রেইম ওর্য়াক হয়েছে রোড অ্যান্ড টানেলের ব্যাপারে। সুয়ারেস টার্মিনাল ব্যাপারে একটা এগ্রিমেন্ট হয়েছে।

জঙ্গিবাদ বিষয়ে একটা চুক্তি সই হয়েছে জানিয়ে শহীদুল হক বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়ে দুই দেশ এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত। এক মত হয়েছেন দুই নেতা। বিশেষ করে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, তথ্য বিনিময়, একচেঞ্জ অব গুড প্র্যাকটিজ এবং একটা সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও চায়নার রিলেশনটা বিশেষ করে ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে একটা লম্বা ইতিহাসের। নতুন কিছু ক্ষেত্রও এখানে আবিষ্কার হয়েছে। বিশেষ করে আইসিটি ক্ষেত্রে একটা বড় ধরনের ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

আইসিটি খাতে একটা বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হবে বলে জানান শহীদুল হক।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে ট্রাডিশনাল যে খাতগুলো ছিল- কৃষি, বাণিজ্য ও অন্যান্য খাত, সেগুলোতেও আরও গভীর ও সম্প্রসারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চীনের ব্যবসায়ীরা আরএমজি ও পাট সেক্টরে বিশেষ বিনিয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে জানান সচিব।

শহীদুল হক বলেন, প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট হয়েছে। এই কাঠামোগত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে যে উৎপাদন ক্ষমতা, সেটি বাড়ানোর জন্য চাইনিজরা প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুন এনটিটি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

  • কর্ণফুলী টানেলসহ ৬ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
  • বাংলাদেশ-চীন সর্ম্পকে ‘নতুন অবয়ব’
  • ২০১৭ হবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের বছর: জিনপিং
  • ‘কৌশলগত সহযোগিতায় উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক’

 

Leave a Comment: