Category Archives for BCS

চাকুরির প্রস্তুতি- বাংলা সাহিত্য

চাকুরির প্রস্তুতি- বাংলা সাহিত্য

Novel & Short Story(উপন্যাস ও ছোটগল্প), Poetry(কাব্য), মঙ্গল্কাব্য, Surname and Title(উপাধি ও ছদ্মনাম)

 rtr

 

বাংলা সাহিত্য  থেকে যে কোন চাকরি বা বিশ্ববিদ্যলয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসেই। বিশেষ করেNovel & Short Story(উপন্যাস ও ছোটগল্প), Poetry(কাব্য), মঙ্গল্কাব্য, Surname and Title(উপাধি ও ছদ্মনাম) বেশি প্রশ্ন আসে। এই জন্যে আমাদের কে এই বিষয় টিকে গুরুত্বের সাথে নিতে হয়।  শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা নিয়মিত বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। যদি কারও সামান্য উপকারে আসে তাহলেই bdgovtjobcircular.com কর্তৃপক্ষের এই পরিশ্রম সার্থক।

মনোযোগ দিন

Novel                                                                     1TCoJJbCapture

 

Novel                                      new4k  1TCoJJbl,7l8

পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

 ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

 

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thank you

 

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

Untitled-1

 

সাধারণ জ্ঞান থেকে যে কোন চাকরি বা বিশ্ববিদ্যলয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসেই। বিশেষ করে সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী বেশি প্রশ্ন আসে। এই জন্যে আমাদের কে এই বিষয় টিকে গুরুত্বের সাথে নিতে হয়।  শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা নিয়মিত সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। যদি কারও সামান্য উপকারে আসে তাহলেই bdgovtjobcircular.com কর্তৃপক্ষের এই পরিশ্রম সার্থক।

মনোযোগ দিন

Capture

 

 

eee

 

 

weq

 

 

পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thank you

 

Transformation of Sentences

Transformation of Sentences

rtr

 

প্রিয় পাঠক, বিসিএস এবং ব্যাংক এর চাকরির পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এবং ব্যাংক এর চাকরির প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা Transformation of Sentences  বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

1-p 2-p 3-p 4-p

Download in ms word file click here

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

বিগত সালের সরকারী ব্যাংকগুলোতে আসা প্রয়োজনীয় ভোকাবিউলারি

বিগত সালের  সরকারী ব্যাংকগুলোতে আসা ভোকাবিউলারি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর অর্থ  (2001-2016)

 

rtr

প্রিয় পাঠক, বিসিএস এবং ব্যাংক এর চাকরির পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এবং ব্যাংক এর চাকরির প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা ভোকাবিউলারি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর অর্থ বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

বিগত সালের (2016-2001) সরকারী ব্যাংকগুলোতে আসা ভোকাবিউলারি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর অর্থ একসাথে দেয়া হলো….. শব্দগুলো সংগ্রহ করে এর pdf file টি একভাই পোস্ট করেছেন …সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারেন

এখানে ৩০ টি শব্দ দেয়া হল । সম্পূর্ণ ফাইল পেতে নিম্নে প্রদত্ত  ওয়ার্ড ফাইলে বা পিডিএফ  এ ডাউনলোড করুন 

1: Fortuitous -আকস্মিক 
2: Inherent – স্বাভাবিক 
3: Legible -সহজপাঠ্য 
4: Indelible -অমোচোনীয় 
5: Endurable -সহনীয় /টেকসই 
6: gregarious -মিশুক /সামাজিক 
7: Introverted -অন্তর্মুখী ব্যক্তি (আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা চেতনা )
8: Alleviate -উপশম করা 
9: Aggravate -অধিক গুরুতর/শোচনীয় করে তোলা 
10: Elevate -উত্তোলন করা,উন্নীত করা 
11: Desultory -নিয়মশৃংখলাহীন 
12: Methodical -সুশৃংখল 
13: Integral -অপরিহার্য অংশ 
14: Dissipate – দূর করা/অপচয় করা 
15: Exemt -রেহাই /অব্যহতি দেয়া 
17: Obliged -বাধিত বা ঋণী হয়েছে এমন 
18: Steadfast -অবিচলিত 
19: Valiant -সাহসী 
20: Repute -সুখ্যাতি 
21: Susceptible -স্পর্শকাতর 
22: opaque- অস্বচ্ছ 
24: Tepid -অল্প গরম বা কুসুম কুসুম গরম 
25: Seething -ফুটে উপচে পড়া এমন
26: Intimate -অন্তরঙ্গ 
27: Turbid – ঘোলাটে 
28: Swollen – ফোলা বা ফুলে যাওয়া 
29: Accretion -সংযোজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি 
30: Procession : মিছিল বা শোভাযাত্রা 

পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

এম এস ওয়ার্ড  ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

৩৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি : মানসিক দক্ষতা

৩৮ তম বিসিএস  প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি : মানসিক দক্ষতা 

rtr

 

প্রিয় পাঠক, বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এর  প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা মানসিক দক্ষতা বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

123

 

পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

এম এস ওয়ার্ড  ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬

rtr

The economy Survey of Bangladesh 2016.All info are available here.
———————————————

বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা ➟ ৪৯০টি । সর্বশেষ কর্ণফুলী ( চট্টগ্রাম )
? বর্তমানে দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা =৪, ৫৩৬টি
? মাথাপিছু জাতীয় আয় ১৪৬৬ মার্কিন ডলার ( গত অর্থবছরে ছিল ১৩১৬ , চলতি অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫০ মার্কিন ডলার )
? জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ➟ ৭.০৫% (২০১৬-১৭ বছরে প্রক্ষেপন ৭.২%)
?২০০৯-১০ থেকে ২০১৪-১৫ জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ➟ ৬.২%
? জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার প্রক্ষেপন:


২০১৬-১৭ অর্থ বছরে –➟ ৭.২%
২০১৭-১৮ ———➟ ৭.৪%
২০১৮-১৯ ———–➟ ৭.৬%

images

 

?মাথাপিছু আয় ➟ ১৪৬৬ মার্কিন ডলার
? দারিদ্র্যের হার ➟ ২৪. ৮% । অতিদ্রারিদ্রের হার ➟ ১২.৮%
?পদ্মাসেতু নির্মাণে ব্যয় ➟ ২৮,৭৯৩.৩৯ কোটি টাকা ।
? জিডিপি আকার ➟ ১৭,২৯,৫৬৭কোটি টাকা
?চলতি বাজার মূল্যে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ১,০৮,১৭২ টাকা


?স্থির মূল্যে জিডিপিতে
শিল্পখাতের অবদান ➟➟ ৩১.২৮%
সেবা খাতের অবদান ➟➟৫৩.৩৯%
কৃষি খাতের অবদান ➟ ১৫.৩৩%


?জাতীয় সঞ্চয় হার ➟ ৩০.০৮%
?বিনিয়োগ জিডিপির ➟ ২৯.৩৮%
?খাদ্যশষ্য উত্পাদন ➟ ৩৮৯.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন
? দেশের মোট জনগণের শতকরা ৭৫ভাগ বিদ্যু সুবিধা পাচ্ছে।
? বিদ্যুত উত্পাদন ক্ষমতা ➟ ১২,৩৩৯ মেগা ওয়াট ।
?আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র ➟ ২৬টি । মোট মজুদ ৩৮.০২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট । তবে উত্তোলন যোগ্য ২৭.১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট

?জ্বালানি তেলের মজুদ ➟ ১০.৯১ লক্ষ মেট্রিক টন।
? গড় মূদ্রাস্ফীতির হার ➟ ৬.০১%। এপ্রিল ২০১৬ ➟ ৫.৬১%
?বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ➟ ২৯.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ।
?মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান = ১৪২
?রপ্তানি আয় ➟ ২৭,৬৩৭.২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
? আমদানি ব্যয় ➟ ৩১,৩৩৫.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
? রেমিট্যান্স ➟ ১২,২৫৫.২৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার
? জনশক্তি রপ্তানি ➟ ৫.৬২ লক্ষ জন।
? বৈদেশিক বাণিজ্য ➟ ২৯৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
? দেশে রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান ➟ ৪৫টি ।
? জলবায়ু তহবিলে বরাদ্দ টাকার পরিমাণ ৩, ০০০ কোটি টাকা।
?দেশে বর্তমানে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা ➟ ১, ১২, ১৭৬টি ( ব্র্যাক সেন্টার, মাদ্রাসা, শিশু কল্যাণ সহ)
? প্রাথমিকে ভর্তি হার ➟ ৯৭.৯% ( ছেলে: মেয়ে = ৪৯.১৪%: ৫০. ৮৬%)
? প্রাথমিকে ঝড়ে পড়ার হার ➟➟ ২০.৪%
? দেশে বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ➟ ৩৮টি।
? দেশে বর্তমানে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা ➟ ৩৬টি

download
?দেশে বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা ➟ ১৩, ১৩৬টি।
? স্থুল জন্মহার (প্রতি হাজারে ) ➟ ১৮.২ ( জাতীয়)
? স্থুল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে ) ➟ ৫.২ জন ( জাতীয়)
? প্রত্যাশিত গড় আয়ু ➟৭০.৭ বছর(জাতীয় )পুরুষ৬৯.১বছরনারী ৭১.৬বছর
? জন প্রতি ডাক্তারের সংখ্যা ➟➟ ২১২৯ জন।
? বিবাহের গড় বয়স ➟➟ পুরুষ ২৪.৯ বছর নারী ১৮.বছর
?শিশু মৃত্যু হার ( ১ বছরের কম প্রতি হাজারে ) ➟ ৩০জন
? শিশু মৃত্যু হার ( ৫ বছরের কম প্রতি হাজারে ) ➟ ৩৮জন
? মাতৃমৃত্যুহার ➟➟ ১.৯৩% (জাতীয় )
? গর্ভনিরোধ ব্যবহার কারী ➟ ৬২.২%
?উর্বরতার হার ( মহিলা প্রতি ) ➟➟ ২.১১
? দেশে আগামী ১৫বছরে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার করা উদ্যোগে এখন পর্যন্ত ৫৬টির ( এপ্রিল ২০১৬ ) ( সরকারী ৪২ ও বেসরকারী ১৪) টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১টি উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

 

 

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ  সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

rtr

 

প্রিয় পাঠক, বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এর  প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ  সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

Get BCS written tips and Trick from BD GOVT JOB CIRCULAR.

 

eqr gsefgeasfa gseg

পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

এম এস ওয়ার্ড  ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর প্রশ্নের সমাধান

নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর ১০০ টি গুরুত্বপুর্ণ বহুনির্বাচনী প্রশ্নের সমাধান

segaf

 

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা ভালো ফলাফল এর জন্য সকল বিষয়ের প্রতি সমান নজর দিতে হয়। তবে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর দিকে একটু বেশি নজর রাখা উচিত। শুধুমাত্র ভালো ফলফল নয় বরং অনেক চাকরি এবং ভর্তি পরীক্ষায় এখান থেকে অনেক প্রশ্ন আসে। এই জন্যে আমরা আপনাদের জন্যে নিয়ে এসেছি অনুশীলনের একটি গুরুত্বপুর্ণ ওয়েবসাইট। আপনারা এখানে আপনাদের পছন্দের মত পিডিএফ বা ওয়ার্ড  ফাইলে  ডাউনলোড করে প্রয়োজন মত অনুশীলনের কাজে লাগাতে পারেন।

সর্বদা আমাদের সাথে যুক্ত থাকেন ফেসবুকে এবং টুইটারে। নিচে খেয়াল করুন।

erregergtter

 

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়(নবমদশম শ্রেণি)
প্রথম দুই অধ্যায় পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান(১৯৪৭–১৯৭০) এবং স্বাধীন বাংলাদেশ) গুরুত্বপূর্ণ ১০০ প্রশ্ন
বিঃদ্রঃ বেশি কমন প্রশ্নগুলো দেওয়া হয় নি৷

এখনে ১৯ টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হল।  বাকিটা পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ফাইলে দেখুন 

1৷ পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
ⓐ 2011 ⓑ 2010 ⓒ 2012 ⓓ 2009
উত্তরঃ b
2৷ সর্বশেষ শিক্ষানীতি প্রণিত হয় কত সালে?
ⓐ 2010 ⓑ 2012 ⓒ 2011 ⓓ 2013
উত্তরঃ a
3৷ গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা শুরু হয় কত সালে?
ⓐ 1991 ⓑ 1990 ⓒ 1972 ⓓ 1989
উত্তরঃb
4৷ 22 টি ছাত্র সংগঠন “সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য” গঠন করা হয় কত সালে?
ⓐ 1991 ⓑ 1989 ⓒ 1988 ⓓ 1990
উত্তরঃd
5৷ গণতন্ত্র মুক্তি পাক কথাটি নূর হোসেন এর কোথায় লেখা ছিল?
ⓐ বুকে ⓑ পিঠে ⓒ বুকে ও পিঠে ⓓ হাতের ব্যানারে
উত্তরঃ b
6৷ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
ⓐ 1987 ⓑ 1989 ⓒ 1986 ⓓ 1988
উত্তরঃ d
7৷ বাংলাদেশে দ্বিতীয় গনভোট কত সালে হয়?
ⓐ 1977 ⓑ 1984 ⓒ 1985 ⓓ 1979
উত্তরঃ c
8৷ ১৯৯০ সালের কত তারিখে এরশাদ পদত্যাগ করেন?
ⓐ ৬ নভেম্বর ⓑ ৬ ডিসেম্বর ⓒ ৪ ডিসেম্বর ⓓ ৫ ডিসেম্বর
উত্তরঃ b
9৷ বাংলাদেশে প্রথমবারের মত গণভোট হয় কত সালে?
ⓐ 1973 ⓑ 1977 ⓒ 1979 ⓓ 1984
উত্তরঃb
10৷ দক্ষিন এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনের উদ্যোগ কে নিয়েছিলেন?
ⓐ শেখ মুজিবর রহমান ⓑ হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ ⓒ জিয়াউর রহমান ⓓ শেখ হাসিনা ৷
উত্তরঃc

11৷ দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
ⓐ 1986 ⓑ 1978 ⓒ 1979 ⓓ 1977
উত্তরঃc

12৷ কার শাসন আমলে বাংলাদেশের রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়?
ⓐ এরশাদের আমলে ⓑ শেখ মুজিবের আমলে ⓒ জিয়াউর রহমানের আমলে ⓓ খন্দকার মোস্তাকের আমলে
উত্তরঃc

13৷ কততম সংশোধনীকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করে?
ⓐ ৫ম ⓑ ৭ম ⓒ ১৩তম ⓓ সবগুলো
উত্তরঃd

14৷ রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহারের পথ তৈরি করেন কে?
ⓐ হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ ⓑ জিয়াউর রহমান ⓒ খন্দকার মুস্তাক আহমেদ ⓓ কেউ নন ৷
উত্তরঃb

15৷ কতসালে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন?
ⓐ 1981 ⓑ 1982 ⓒ 1983 ⓓ 1980
উত্তরঃb

16৷ এরশাদ বিরোধী আন্দলনে নূর হুসেন কত সালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন?
ⓐ 1987 ⓑ 1988 ⓒ 1989 ⓓ 1990
উত্তরঃa

17৷ গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
ⓐ বিচারপতি হাবিবুর রহমান ⓑ বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ ⓒ রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ ⓓ ফখরুদ্দীন আহমেদ
উত্তরঃb

18৷ কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক ধারা চালু হয়?
ⓐ ৪র্থ ⓑ ৬ষ্ট ⓒ ৭ম ⓓ ৫ম
উত্তরঃd

19৷ 1972 সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ছিল কত শতাংশ?

ⓐ ৩০% ⓑ ৭০% ⓒ ৭১% ⓓ ৪৫%
উত্তরঃb

 

সম্পুর্ণফাইল পিডিএফ ডাউনলোড করুণ এখন থেকে

 

ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করুণ এখন থেকে

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

রোহিঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন, পড়ুন এবং জানুন

রোহিঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন, পড়ুন এবং জানুন 

 

_92090256-copy

 

সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ইস্যুটি একটি গুরুত্বপুর্ণ ঘটনা। যদিও রোহিঙ্গা সমস্যাটি সাম্প্রতিক নয় । তবে অতি-সম্প্রতি এইঘটনাটি বিশ্বব্যাপি আলোড়ন তুলেছে। আমারা অনেকেই মনেকরি যে রোহিঙ্গা হয়তো উদবাস্তু জাতি। তবে এই ধারণাটা  একেবারেই ভুল।তারা মায়ানমারের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।যে জাতির আধিকাংশই মুসলিম বা ইসলাম ধর্মের আধীবাসী। আসুন আমরা  এই  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও তাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জেনে নিই।

 

রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা আদিবাসী জনগোষ্ঠী পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি উলেখযোগ্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী। এরা ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত। রোহিঙ্গাদের আলাদা ভাষা থাকলেও তা অলিখিত। মায়ানমারের আকিয়াব, রেথেডাং, বুথিডাং মংডু, কিয়ক্টাও, মাম্ব্রা, পাত্তরকিল্লা এলাকায় এদের বাস। বর্তমান ২০১২ সালে, প্রায় ৮,০০,০০০ রোহিঙ্গা মায়ানমারে বসবাস করে। মায়ানমার ছাড়াও ৫ লক্ষের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এবং প্রায় ৫লাখ সৌদিআরবে বাস করে বলে ধারনা করা হয় যারা বিভিন্ন সময় বার্মা সরকারের নির্যাতনের কারণে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে, রোহিঙ্গারা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী।

কারা রোহিঙ্গা ?
বর্তমান মিয়ানমারের রোহিং (আরাকানের পুরনো নাম) এলাকায় এ জনগোষ্ঠীর বসবাস। ইতিহাস ও ভূগোল বলছে, রাখাইন প্রদেশের উত্তর অংশে বাঙালি, পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে।

রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও ‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মগের মুল্লুক কথাটি বাংলাদেশে পরিচিত। দস্যুবৃত্তির কারণেই এমন নাম হয়েছে ‘মগ’দের। এক সময় তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোগলরা তাদের তাড়া করে জঙ্গলে ফেরত পাঠায়। রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটি প্রচলিত গল্প রয়েছে এভাবে_ সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা। তবে,ওখানকার রাজসভার বাংলা সাহিত্যের লেখকরা ঐ রাজ্যকে রোসাং বা রোসাঙ্গ রাজ্য হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তবে ইতিহাস এটা জানায় যে, ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহিঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল।

মিয়ানমারের রাজা বোদাওফায়া এ রাজ্য দখল করার পর বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু হয়। এক সময়ে ব্রিটিশদের দখলে আসে এ ভূখণ্ড। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কিনা, সে প্রশ্ন জ্বলন্ত। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভূল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মিয়ানমার স্বাধীনতা অর্জন করে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়। সে সময়ে পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন পদস্থ সরকারি দায়িত্বও পালন করেন। কিন্তু ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে মিয়ানমারের যাত্রাপথ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়।

সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।
মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ডের অনেকের কাছেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ‘কালা’ নামে পরিচিত। বাঙালিদেরও তারা ‘কালা’ বলে। ভারতীয়দেরও একই পরিচিতি। এ পরিচয়ে প্রকাশ পায় সীমাহীন ঘৃণা।
ভাষা
মায়ানমারের আরাকান রাজ্যের (রাখাইন) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আধুনিক লিখিত ভাষাই হল রোহিঙ্গা ভাষা। এটি ইন্দো-ইউরোপীয়ান ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত যার সাথে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার মিল রয়েছে। রোহিঙ্গা গবেষকগণ আরবি, হানিফি, উর্দু, রোমান এবং বার্মিজ স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে সফলতার সাথে রোহিঙ্গা ভাষা লিখতে সক্ষম হয়েছেন। হানিফি হচ্ছে নতন তৈরি করা স্ক্রীপ্ট যা আরবি এবং তার সাথে চারটি বর্ণ (ল্যাটিন এবং বার্মিজ) সংযোগে সৃষ্ট।
সম্প্রতি একটি ল্যাটিন স্ক্রীপ্টের উদ্ভাবন হয়েছে যা ২৬টি ইংরেজি বর্ণ এবং অতিরিক্ত ২টি ল্যাটিন বর্ণ, Ç (তাড়নজাত R -এর জন্য) এবং Ñ (নাসিকা ধ্বনি-র জন্য) সংযোগে সৃষ্ট। রোহিঙ্গা ধ্বনি সঠিকভাবে বোঝার জন্য ৫টি স্বরধ্বনি (áéíóú) ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি আই.এস.ও দ্বারা স্বীকৃত।
ইতিহাস
অষ্টম শতাব্দীতে আরবদের আগমনের মধ্য দিয়ে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু হয়। আরব বংশোদ্ভূত এই জনগোষ্ঠী মায়্যু সীমান্তবর্তী অঞ্চলের (বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের নিকট) চেয়ে মধ্য আরাকানের নিকটবর্তী ম্রক-ইউ এবং কাইয়্যুকতাও শহরতলীতেই বসবাস করতে পছন্দ করতো। এই অঞ্চলের বসবাসরত মুসলিম জনপদই পরবর্তীকালে রোহিঙ্গা নামে পরিচিতি লাভ করে।
ম্রক-ইউ রাজ্য
ম্রক-ইউ রাজ্যের সম্রাট নারামেখলার (১৪৩০-১৪৩৪) শাসনকালে বাঙ্গালীদের আরাকানের বসবাসের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২৪ বছর বাংলায় নির্বাসিত থাকার পরে সম্রাট বাংলার সুলতানের সামরিক সহায়তায় পুনরায় আরাকানের সিংহাসনে আরোহন করতে সক্ষম হন। যে সব বাঙ্গালী সম্রাটের সাথে এসেছিল তারা আরাকানে বসবাস করতে শুরু করে।

সম্রাট নারামেখলা বাংলার সুলতানের দেওয়া কিছু অঞ্চল ও আরাকানের ওপর সার্বভৌমত্ব অর্জন করে। সম্রাট নারামেখলা পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং বাংলার প্রতি কৃ্তজ্ঞতা স্বরূপ আরাকানে বাংলার ইসলামী স্বর্ণমূদ্রা চালু করেন। পরবর্তীতে নারামেখলা নতুন মূদ্রা চালু করেন যার একপাশে ছিল বার্মিজ বর্ণ এবং অপরপাশে ছিল ফার্সী বর্ণ। বাংলার প্রতি আরাকানের কৃ্তজ্ঞতা ছিল খুবই অল্প সময়ের জন্য।

১৪৩৩ সালে সুলতান জালালুদ্দিন মুহাম্মদ শাহের মৃত্যু হলে সম্রাট নারামেখলার উত্তরাধিকারীরা ১৪৩৭ সালে রামু এবং ১৪৫৯ সালে চট্টগ্রাম দখল করে নেয়। ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম আরাকানের দখলে ছিল।বাংলার সুলতানদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পরেও আরাকানের রাজাগণ মুসলিম রীতিনীতি বজায় রেখে চলে। বৌদ্ধ রাজাগণ নিজেদেরকে বাংলার সুলতানদের সাথে তুলনা করতো এবং মুঘলদের মতোই জীবন যাপন করতো। তারা মুসলিমদেরকেও রাজদরবারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিত।

১৭ শতকের দিকে আরাকানে বাঙ্গালী মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তারা আরাকানের বিভিন্ন কর্ম ক্ষেত্রে কাজ করতো। যেহেতু রাজাগণ বৌদ্ধ হওয়ার পরেও বাংলার সুলতানদের রীতিনীতি অনুযায়ীই রাজ্য পরিচালনা করতো, তাই আরাকানের রাজদরবারে বাংলা, ফার্সী এবং আরবি ভাষার হস্তলিপিকরদের মধ্যে অনেকেই ছিল বাঙ্গালী। কামেইন বা কামান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী যারা মায়ানমার সরকারের নৃতাত্ত্বিক জাতিসত্ত্বার মর্যাদা পেয়েছে তারা আরাকানের মুসলিম জনগোষ্ঠীরই একটা অংশ ছিল।
বার্মিজদের দখল
১৭৮৫ সালে বার্মিজরা আরাকান দখল করে। এর পরে ১৭৯৯ সালে পঁয়ত্রিশ হাজারেরও বেশি মানুষ বার্মিজদের গ্রেফতার এড়াতে এবং আশ্রয়ের নিমিত্তে আরাকান থেকে নিকটবর্তী চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলে আসে। বার্মার শোসকেরা আরাকানের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে এবং একটা বড় অংশকে আরাকান থেকে বিতাড়িত করে মধ্য বার্মায় পাঠায়। যখন ব্রিটিশরা আরাকান দখল করে তখন যেন এটি ছিল একটি মৃত্যুপূরী। ১৭৯৯ সালে প্রকাশিত “বার্মা সাম্রাজ্য”তে ব্রিটিশ ফ্রাঞ্চিজ বুচানন-হ্যামিল্টন উল্লেখ করেন, “মুহাম্মদ(সঃ) – এর অনুসারীরা”, যারা অনেকদিন ধরে আরাকানে বাস করছে, তাদেরকে “রুইঙ্গা” বা “আরাকানের অধিবাসী” বলা হয়।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন
কৃষিকাজের জন্য আরাকানের কম জন অধ্যুষিত এবং উর্বর উপত্যকায় আশপাশের এলাকা থেকে বাঙ্গালী অধিবাসীদের অভিবাসন করার নীতি গ্রহণ করেছিল ব্রিটিশরা। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলাকে আরাকান পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিল। আরাকান ও বাংলার মাঝে কোন আন্তর্জাতিক সীমারেখা ছিল না এবং এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যাওয়ার ব্যাপারে কোন বিধি-নিষেধও ছিল না। ১৯ শতকে, হাজার হাজার বাঙ্গালী কাজের সন্ধানে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে আরাকানে গিয়ে বসতি গড়েছিল। এছাড়াও, হাজার হাজার রাখাইন আরাকান থেকে বাংলায় চলে এসেছিল।
১৮৯১ সালে ব্রিটিশদের করা এক আদমশুমারীতে দেখা যায়, আরাকানে তখন ৫৮,২৫৫ জন মুসলমান ছিল। ১৯১১ সালে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৮,৬৪৭ জন হয়। অভিবাসনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ বাংলার সস্তা শ্রম যা আরাকানের ধান ক্ষেতের কাজে লাগত। বাংলার এই অধিবাসীরা (বেশিরভাগই ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চলের) মূলত আরাকানের দক্ষিণেই অভিবাসিত হয়েছিল। এটা নিশ্চিত যে, ভারতের এই অভিবাসন প্রক্রিয়া ছিল পুরো অঞ্চল জুড়ে, শুধু আরাকানেই নয়।

ঐতিহাসিক থান্ট মিন্ট-ইউ লিখেছেন: “বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, বার্মায় আসা ভারতীয়দের সংখ্যা কোনভাবেই আড়াই লক্ষের কম নয়। এই সংখ্যা ১৯২৭ সাল পর্যন্ত বাড়তেই থাকে এবং অভিবাসীদের সংখ্যা হয় ৪৮০,০০০ জন, রেঙ্গুন নিউ ইয়র্ককেও অতিক্রম করে বিশ্বের বড় অভিবাসন বন্দর হিসেবে। মোট অভিবাসীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১.৩ কোটি (১৩ মিলিয়ন)।” তখন বার্মার রেঙ্গুন, আকিয়াব, বেসিন, প্যাথিন এবং মৌমেইনের মত অধিকাংশ বড় শহরগুলোতে ভারতীয় অভিবাসীরা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ শাসনে বার্মিজরা অসহায়ত্ব বোধ করত এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে তারা অভিবাসীদের উপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করত।

অভিবাসনের ফলে সংঘাত মূলত আরাকানেই ছিল সবচেয়ে প্রকট। ১৯৩৯ সালে, রোহিঙ্গা মুসলিম ও রাখাইন বৌদ্ধদের মধ্যকার দীর্ঘ শত্রুতার অবসানের জন্য ব্রিটিশ প্রশাসন জেমস ইস্টার এবং তিন তুতের দ্বারা একটি বিশেষ অনুসন্ধান কমিশন গঠন করে। কমিশন অনুসন্ধান শেষে সীমান্ত বন্ধ করার সুপারিশ করে, এর মধ্যে শুরু হয় ২য় বিশ্ব যুদ্ধ এবং এর পরে ব্রিটিশরা আরাকান ছেড়ে চলে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপানীদের দখল

রোহিঙ্গা গণহত্যা
১৯৪২ সালের ২৮শে মার্চ, মায়ানমারের মিনবিয়া এবং ম্রক-ইউ শহরে রাখাইন জাতীয়তাবাদী এবং কারেইনপন্থীরা প্রায় ৫,০০০ মুসলমানকে হত্যা করে। ইতোমধ্যে, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে প্রায় ২০,০০০ মুসলমানকে হত্যা করা হয়। এতে উপ-কমিশনার ইউ য়ু কিয়াও খায়াং-ও নিহত হন যিনি দাঙ্গা নিয়ণ্ত্রনের চেষ্টা করছিলেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, জাপানীরা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনস্হ বার্মায় আক্রমণ করে। ব্রিটিশ শক্তি পরাজিত হয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যায়। এর ফলে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরে। এর মধ্যে বৌদ্ধ রাখাইন এবং মুসলিম রোহিঙ্গাদের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছিল উল্লেখযোগ্য। এই সময়ে ব্রিটিশপন্হীদের সাথে বার্মার জাতীয়তাবাদীদেরও সংঘর্ষ হয়। জাপানীদের আক্রমণের সময় উত্তর আরাকানের ব্রিটিশপন্হী অস্ত্রধারী মুসলমানদের দল বাফার জোন সৃষ্টি করে। রোহিঙ্গারা যুদ্ধের সময় মিত্রপক্ষকে সমর্থন করেছিল এবং জাপানী শক্তির বিরোধিতা করেছিল, পর্যবেক্ষণে সাহায্য করেছিল মিত্রশক্তিকে।

জাপানীরা হাজার হাজার রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, ধর্ষণ এবং হত্যা করেছিল। এই সময়ে প্রায় ২২,০০০ রোহিঙ্গা সংঘর্ষ এড়াতে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলায় চলে গিয়েছিল।
জাপানী এবং বার্মাদের দ্বারা বারংবার গণহত্যার শিকার হয়ে প্রায় ৪০,০০০ রোহিঙ্গা স্হায়ীভাবে চট্টগ্রামে চলে আসে।

যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা
১৯৪৭ সালে রোহিঙ্গারা মুজাহিদ পার্টি গঠন করে যারা জিহাদি আন্দোলন সমর্থন করতো। মুজাহিদ পার্টির লক্ষ্য ছিল আরাকানে একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। তারা জেনারেল নে উইনের নেতৃত্বে ১৯৬২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। নে উইন তাদেরকে দমনের জন্য দুই দশকব্যাপী সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। উল্লেখযোগ্য একটি অভিযান ছিল “কিং ড্রাগন অপারেশন” যা ১৯৭৮ সালে পরিচালিত হয়। এর ফলে অনেক মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে এবং শরনার্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশ ছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যার রোহিঙ্গারা পাকিস্তানের করাচীতে চলে যায় (দেখুন পাকিস্তানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী)। এরপরও, বার্মার মুজাহিদরা আরাকানের দূর্গম এলাকায় এখনও সক্রিয় আছে।
বার্মিজ জান্তা
প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে বার্মা শাসন করছে মায়ানমারের সামরিক জান্তা। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য এরা বার্মিজ জাতীয়তাবাদ এবং থেরাভেদা বৌদ্ধ ধর্মীয় মতবাদ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে। আর এর ফলেই তারা রোহিঙ্গা, চীনা জনগোষ্ঠী যেমন – কোকাং, পানথাইদের(চীনা মুসলিম) মত ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাকে ব্যপকভাবে নির্যাতন করে থাকে। কিছু নব্য গণতন্ত্রপন্থী নেতা যারা বার্মার প্রধান জনগোষ্ঠী থেকে এসেছেন তারাও রোহিঙ্গাদের বার্মার জনগণ হিসেবে স্বীকার করেন না।
বার্মার সরকার রোহিঙ্গা ও চীনা জনগোষ্ঠীর মত ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গার উসকানি দিয়ে থাকে এবং এ কাজ তারা অতি সফলতার সাথেই করে যাচ্ছে।
রাখাইনে ২০১২ সালের দাঙ্গা
রাখাইনে ২০১২ সালের দাঙ্গা হচ্ছে মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিম ও বোদ্ধ রাখাইনদের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের ঘটনাপ্রবাহ। দাঙ্গা শুরু হয় জাতিগত কোন্দলকে কেন্দ্র করে এবং উভয় পক্ষই এতে জড়িত হয়ে পরে।
ধর্ম 
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মূলত ইসলাম ধর্মের অনুসারী। যেহেতু বার্মা সরকার তাদের পড়াশুনার সুযোগ দেয় না, তাই অনেকেই মোলিক ইসলামী শিক্ষাকেই একমাত্র পড়াশুনার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেছে। অধিকাংশ গ্রামেই মসজিদ এবং মাদ্রাসা (ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে, পুরুষরা জামাতে এবং মহিলারা বাড়িতেই প্রার্থণা করে থাকে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও শরণার্থী 
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বলা হয় “বিশ্বের সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত জনপদ” এবং “বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু”। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের ফলে তারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হন। তারা সরকারি অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করতে পারে না, জমির মালিক হতে পারে না এবং দুইটির বেশি সন্তান না নেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুসারে, ১৯৭৮ সাল থেকে মায়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লংঘনের শিকার হচ্ছে এবং তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে:

রোহিঙ্গাদের চলাচলের স্বাধীনতা ব্যপকভাবে নিয়ণ্ত্রিত এবং তাদের অধিকাংশের বার্মার নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। তাদের উপর বিভিন্ন রকম অন্যায় ও অবৈধ কর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের জমি জবর-দখল করা, জোর-পূর্বক উচ্ছেদ করা, ঘর-বাড়ি ধ্বংস করা এবং বিবাহের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও উত্তর রাখাইন রাজ্যে গত দশকে বাধ্যতামূলক শ্রমিকের কাজ করা কমেছে তারপরও রোহিঙ্গাদের রাস্তার কাজে ও সেনা ক্যাম্পে বাধ্যতামূলক শ্রমিকের কাজ করতে হচ্ছে।
১৯৭৮ সালে মায়ানমার সেনাবাহিনীর ‘নাগামান’ (‘ড্রাগন রাজা’) অভিযানের ফলে প্রায় দুই লক্ষ (২০০,০০০) রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। সরকারিভাবে এই অভিযান ছিল প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে সব বিদেশী অবৈধভাবে মায়ানমারে বসবাস করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এই সেনা অভিযান সরাসরি বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছিল এবং ফলে ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ ও মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ঘটে।
১৯৯১-৯২ সালে একটি নতুন দাঙ্গায় প্রায় আড়াই লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। তারা জানায় রোহিঙ্গাদের বার্মায় বাধ্যতামূলক শ্রম প্রদান করতে হয়। এছাড়া হত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের স্বীকার হতে হয়। রোহিঙ্গাদের কোনো প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করতে হত।
২০০৫ সালে, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বিভিন্ন ধরণের মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে এই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।

 

তথ্যটি ডাউনলোড কখনে                 ক্লিক করুন এখনে

logo-opinion2-1-copy

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

 

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা ও বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা ও বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

741312_534311849926658_661818523_o-copy

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা 

#বাংলা সাহিত্যে সৃষ্ট প্রথম চরিত্র কোনটি?
উঃ নিরঞ্জন (শূন্য পূরণ)।

#‘অমল’ চরিত্রের স্রষ্টা নাট্যকার কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ডাকঘর)।

#‘ঠকচাচা’ নামক চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।

#‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?

উঃ কষ্ণকান্তেরৃ উইল।

#‘চাঁদ সওদাগর’ বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র?
উঃ মনসামঙ্গল।

#রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (শ্রীকান্ত)।

#‘অমিত ও লাবন্য’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।

#‘ললিতা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গোরা)।

#‘ললিতা ও শেখর’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পরিনীতা)।

#‘রতন ও দাদাবাবু’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পোষ্ট মাস্টার)।

#‘হেমাঙ্গিনী’ ও ‘কাদম্বিনী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (মেজদিদি)।

#‘কুবের’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?

উঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পদ্মানদীর মাঝি)।

#‘মহিম, সুরেশ ও অচলা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (গৃহদাহ)।

#‘দীপাঙ্কর (দীপু), সতী, লক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ বিমল মিত্র (কড়ি দিয়ে কিনলাম)।

#‘দীপাবলী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?

উঃ সমরেশ মজুমদার (দীপাবলী)।

#‘রমা ও রমেশ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পল্লী সমাজ)।

#‘ষোড়শী ও নির্মল’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেনা-পাওনা)।

#‘সতীশ ও সাবেত্রী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চরিত্রহীন)।

#‘নবকুমার কপালকুন্ডলা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (কপালকু-লা)।

#‘নবীন মাধব’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (নীল দর্পণ)।

#‘ঘটিরাম ডেপুটি ও নিমচাঁদ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (সধবার একাদশী)।

#‘নন্দলাল’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিবাহ-বিভ্রাট)।

#‘দেবযানী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিদায়-অভিশাপ)।

#‘নন্দিনী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রক্তকরবী)।

‘রাইচরণ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।

#‘মৃন্ময়ী ও অপূর্ব’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমাপ্তি)।

#‘সুরবালা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (একরাত্রী)।

#‘পার্বতী ও চন্দ্রমূখী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেবদাস)।

 বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

চর্যাপদ কোন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে? উঃ বঙ্গীয় সাহিত্যে পরিষদ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে? উঃ পাঠান সুলতানগণ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম? উঃ শ্রী চৈতন্যদেব।
কার অনুপ্রেরণায় মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুদিত হয়? উঃ নাসিরউদ্দিন নসরৎ শাহের।
কার রাজত্বকালে বাংলার লৌকিক কাহিনী মনসামঙ্গল রচিত হয়? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
চৈতন্য ভাগবত কার সময় রচিত হয়? উঃ গিয়াসুদ্দীন মাহমুদ শাহের।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস রামায়ণের অনুবাদ করেন? উঃ জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহের।
কবি বিদ্যাপতি ও শেখ কবির কার আদেশে বৈঞ্চবপদ কাব্য রচনা করেন? উঃ নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের।
কবি বিজয়গুপ্ত কার আদেশে মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহ।
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর কোন কাব্যটি রচনা করেন? উঃ ইউসূফ- জুলেখা।
নসীয়তনামা কাব্য কার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত? উঃ শ্রীসুধর্মের।
কার আদেশে সয়ফুল-মূলক রচিত হয়? উঃ সৈয়দ মুসার আদেশে।
কার আদেশে আলাওল সতীময়না কাব্য রচনা করেন? উঃ লস্কর উজীর আশরাফ খানের।
কবি জৈনুদ্দিন কার সভাকবি ছিলেন? উঃ গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহেব।
রসুল বিজয় কাব্য কার অনুপ্রেরণায় রচিত হয়? উঃ শামসুদ্দীন ইউসূফ শাহের।
মহা বংশাবলী নামক সামাজিক ইতিহাস গ্রন্থের পৃষ্ঠপোষক কে? উঃ সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ-ই-শাহ।
বাংলায় সর্বপ্রথম বিদ্যাসাগর কাহিনী কার আমলে রচিত হয়? উঃ হুসেন শাহের আমলে।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতচন্দ্র বিদ্যাসুন্দর রচনা করেন? উঃ রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র্রের।
কোন কবি গিয়াস উদ্দীন আযম শাহের রাজা কর্মচারী ছিলেন? উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
কবি মালাধর বসুর পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন? উঃ শামসউদ্দিন ইউসুফ শাহ।
রাজা লক্ষন সেনের সভাকবি কে ছিলেন? উঃ ভারতচন্দ্র ।
হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কে কাব্য চর্চা করেন? উঃ রূপ গোস্বামী।
কবীন্দ্র পরমেশ্বর কার আদেশে বাংলায় মহাভারত রচনা করেন? উঃ পরাগল খানের।
ছুটি খানের সভাকবি কে ছিলেন? উঃ শ্রীকর নন্দী।
আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন? উঃ মাগন ঠাকুরের অনুরোধে।
কবি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কোন নৃপতি? উঃ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ।

পি ডি এফ ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

1 2 3 5