Category Archives for BCS Job Preparation

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

Untitled-1

 

সাধারণ জ্ঞান থেকে যে কোন চাকরি বা বিশ্ববিদ্যলয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসেই। বিশেষ করে সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী বেশি প্রশ্ন আসে। এই জন্যে আমাদের কে এই বিষয় টিকে গুরুত্বের সাথে নিতে হয়।  শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা নিয়মিত সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। যদি কারও সামান্য উপকারে আসে তাহলেই bdgovtjobcircular.com কর্তৃপক্ষের এই পরিশ্রম সার্থক।

মনোযোগ দিন

Capture

 

 

eee

 

 

weq

 

 

পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thank you

 

৩৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি : মানসিক দক্ষতা

৩৮ তম বিসিএস  প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি : মানসিক দক্ষতা 

rtr

 

প্রিয় পাঠক, বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এর  প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা মানসিক দক্ষতা বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

123

 

পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

এম এস ওয়ার্ড  ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ  সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

rtr

 

প্রিয় পাঠক, বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের আগ্রহের কোন সীমা পরিসীমা নেই।সেজন্যে বিসি এস এর  প্রস্তুতি নেয়া অনেক গুরুত্বপুর্ণ।এই প্রস্তুতির জন্য আমারা নিয়মিত বিভিন্ন প্রস্তুতিমুলক প্রশ্ন অ সাজেশ্নস প্রদান করছি। আজ আমরা সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে  প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে  “মফিজ” ক্যান্ডিডেটকে “মাশরাফি” বানাতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এটা আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ  সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

Get BCS written tips and Trick from BD GOVT JOB CIRCULAR.

 

eqr gsefgeasfa gseg

পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

এম এস ওয়ার্ড  ফাইলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে

নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর প্রশ্নের সমাধান

নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর ১০০ টি গুরুত্বপুর্ণ বহুনির্বাচনী প্রশ্নের সমাধান

segaf

 

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা ভালো ফলাফল এর জন্য সকল বিষয়ের প্রতি সমান নজর দিতে হয়। তবে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর দিকে একটু বেশি নজর রাখা উচিত। শুধুমাত্র ভালো ফলফল নয় বরং অনেক চাকরি এবং ভর্তি পরীক্ষায় এখান থেকে অনেক প্রশ্ন আসে। এই জন্যে আমরা আপনাদের জন্যে নিয়ে এসেছি অনুশীলনের একটি গুরুত্বপুর্ণ ওয়েবসাইট। আপনারা এখানে আপনাদের পছন্দের মত পিডিএফ বা ওয়ার্ড  ফাইলে  ডাউনলোড করে প্রয়োজন মত অনুশীলনের কাজে লাগাতে পারেন।

সর্বদা আমাদের সাথে যুক্ত থাকেন ফেসবুকে এবং টুইটারে। নিচে খেয়াল করুন।

erregergtter

 

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়(নবমদশম শ্রেণি)
প্রথম দুই অধ্যায় পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান(১৯৪৭–১৯৭০) এবং স্বাধীন বাংলাদেশ) গুরুত্বপূর্ণ ১০০ প্রশ্ন
বিঃদ্রঃ বেশি কমন প্রশ্নগুলো দেওয়া হয় নি৷

এখনে ১৯ টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হল।  বাকিটা পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ফাইলে দেখুন 

1৷ পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
ⓐ 2011 ⓑ 2010 ⓒ 2012 ⓓ 2009
উত্তরঃ b
2৷ সর্বশেষ শিক্ষানীতি প্রণিত হয় কত সালে?
ⓐ 2010 ⓑ 2012 ⓒ 2011 ⓓ 2013
উত্তরঃ a
3৷ গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা শুরু হয় কত সালে?
ⓐ 1991 ⓑ 1990 ⓒ 1972 ⓓ 1989
উত্তরঃb
4৷ 22 টি ছাত্র সংগঠন “সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য” গঠন করা হয় কত সালে?
ⓐ 1991 ⓑ 1989 ⓒ 1988 ⓓ 1990
উত্তরঃd
5৷ গণতন্ত্র মুক্তি পাক কথাটি নূর হোসেন এর কোথায় লেখা ছিল?
ⓐ বুকে ⓑ পিঠে ⓒ বুকে ও পিঠে ⓓ হাতের ব্যানারে
উত্তরঃ b
6৷ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
ⓐ 1987 ⓑ 1989 ⓒ 1986 ⓓ 1988
উত্তরঃ d
7৷ বাংলাদেশে দ্বিতীয় গনভোট কত সালে হয়?
ⓐ 1977 ⓑ 1984 ⓒ 1985 ⓓ 1979
উত্তরঃ c
8৷ ১৯৯০ সালের কত তারিখে এরশাদ পদত্যাগ করেন?
ⓐ ৬ নভেম্বর ⓑ ৬ ডিসেম্বর ⓒ ৪ ডিসেম্বর ⓓ ৫ ডিসেম্বর
উত্তরঃ b
9৷ বাংলাদেশে প্রথমবারের মত গণভোট হয় কত সালে?
ⓐ 1973 ⓑ 1977 ⓒ 1979 ⓓ 1984
উত্তরঃb
10৷ দক্ষিন এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনের উদ্যোগ কে নিয়েছিলেন?
ⓐ শেখ মুজিবর রহমান ⓑ হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ ⓒ জিয়াউর রহমান ⓓ শেখ হাসিনা ৷
উত্তরঃc

11৷ দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
ⓐ 1986 ⓑ 1978 ⓒ 1979 ⓓ 1977
উত্তরঃc

12৷ কার শাসন আমলে বাংলাদেশের রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়?
ⓐ এরশাদের আমলে ⓑ শেখ মুজিবের আমলে ⓒ জিয়াউর রহমানের আমলে ⓓ খন্দকার মোস্তাকের আমলে
উত্তরঃc

13৷ কততম সংশোধনীকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করে?
ⓐ ৫ম ⓑ ৭ম ⓒ ১৩তম ⓓ সবগুলো
উত্তরঃd

14৷ রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহারের পথ তৈরি করেন কে?
ⓐ হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ ⓑ জিয়াউর রহমান ⓒ খন্দকার মুস্তাক আহমেদ ⓓ কেউ নন ৷
উত্তরঃb

15৷ কতসালে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন?
ⓐ 1981 ⓑ 1982 ⓒ 1983 ⓓ 1980
উত্তরঃb

16৷ এরশাদ বিরোধী আন্দলনে নূর হুসেন কত সালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন?
ⓐ 1987 ⓑ 1988 ⓒ 1989 ⓓ 1990
উত্তরঃa

17৷ গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
ⓐ বিচারপতি হাবিবুর রহমান ⓑ বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ ⓒ রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ ⓓ ফখরুদ্দীন আহমেদ
উত্তরঃb

18৷ কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক ধারা চালু হয়?
ⓐ ৪র্থ ⓑ ৬ষ্ট ⓒ ৭ম ⓓ ৫ম
উত্তরঃd

19৷ 1972 সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ছিল কত শতাংশ?

ⓐ ৩০% ⓑ ৭০% ⓒ ৭১% ⓓ ৪৫%
উত্তরঃb

 

সম্পুর্ণফাইল পিডিএফ ডাউনলোড করুণ এখন থেকে

 

ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড করুণ এখন থেকে

 

CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our Facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

রোহিঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন, পড়ুন এবং জানুন

রোহিঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন, পড়ুন এবং জানুন 

 

_92090256-copy

 

সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ইস্যুটি একটি গুরুত্বপুর্ণ ঘটনা। যদিও রোহিঙ্গা সমস্যাটি সাম্প্রতিক নয় । তবে অতি-সম্প্রতি এইঘটনাটি বিশ্বব্যাপি আলোড়ন তুলেছে। আমারা অনেকেই মনেকরি যে রোহিঙ্গা হয়তো উদবাস্তু জাতি। তবে এই ধারণাটা  একেবারেই ভুল।তারা মায়ানমারের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।যে জাতির আধিকাংশই মুসলিম বা ইসলাম ধর্মের আধীবাসী। আসুন আমরা  এই  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও তাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জেনে নিই।

 

রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা আদিবাসী জনগোষ্ঠী পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি উলেখযোগ্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী। এরা ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত। রোহিঙ্গাদের আলাদা ভাষা থাকলেও তা অলিখিত। মায়ানমারের আকিয়াব, রেথেডাং, বুথিডাং মংডু, কিয়ক্টাও, মাম্ব্রা, পাত্তরকিল্লা এলাকায় এদের বাস। বর্তমান ২০১২ সালে, প্রায় ৮,০০,০০০ রোহিঙ্গা মায়ানমারে বসবাস করে। মায়ানমার ছাড়াও ৫ লক্ষের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এবং প্রায় ৫লাখ সৌদিআরবে বাস করে বলে ধারনা করা হয় যারা বিভিন্ন সময় বার্মা সরকারের নির্যাতনের কারণে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে, রোহিঙ্গারা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী।

কারা রোহিঙ্গা ?
বর্তমান মিয়ানমারের রোহিং (আরাকানের পুরনো নাম) এলাকায় এ জনগোষ্ঠীর বসবাস। ইতিহাস ও ভূগোল বলছে, রাখাইন প্রদেশের উত্তর অংশে বাঙালি, পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে।

রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও ‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মগের মুল্লুক কথাটি বাংলাদেশে পরিচিত। দস্যুবৃত্তির কারণেই এমন নাম হয়েছে ‘মগ’দের। এক সময় তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোগলরা তাদের তাড়া করে জঙ্গলে ফেরত পাঠায়। রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটি প্রচলিত গল্প রয়েছে এভাবে_ সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা। তবে,ওখানকার রাজসভার বাংলা সাহিত্যের লেখকরা ঐ রাজ্যকে রোসাং বা রোসাঙ্গ রাজ্য হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তবে ইতিহাস এটা জানায় যে, ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহিঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল।

মিয়ানমারের রাজা বোদাওফায়া এ রাজ্য দখল করার পর বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু হয়। এক সময়ে ব্রিটিশদের দখলে আসে এ ভূখণ্ড। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কিনা, সে প্রশ্ন জ্বলন্ত। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভূল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মিয়ানমার স্বাধীনতা অর্জন করে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়। সে সময়ে পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন পদস্থ সরকারি দায়িত্বও পালন করেন। কিন্তু ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে মিয়ানমারের যাত্রাপথ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়।

সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।
মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ডের অনেকের কাছেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ‘কালা’ নামে পরিচিত। বাঙালিদেরও তারা ‘কালা’ বলে। ভারতীয়দেরও একই পরিচিতি। এ পরিচয়ে প্রকাশ পায় সীমাহীন ঘৃণা।
ভাষা
মায়ানমারের আরাকান রাজ্যের (রাখাইন) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আধুনিক লিখিত ভাষাই হল রোহিঙ্গা ভাষা। এটি ইন্দো-ইউরোপীয়ান ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত যার সাথে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার মিল রয়েছে। রোহিঙ্গা গবেষকগণ আরবি, হানিফি, উর্দু, রোমান এবং বার্মিজ স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে সফলতার সাথে রোহিঙ্গা ভাষা লিখতে সক্ষম হয়েছেন। হানিফি হচ্ছে নতন তৈরি করা স্ক্রীপ্ট যা আরবি এবং তার সাথে চারটি বর্ণ (ল্যাটিন এবং বার্মিজ) সংযোগে সৃষ্ট।
সম্প্রতি একটি ল্যাটিন স্ক্রীপ্টের উদ্ভাবন হয়েছে যা ২৬টি ইংরেজি বর্ণ এবং অতিরিক্ত ২টি ল্যাটিন বর্ণ, Ç (তাড়নজাত R -এর জন্য) এবং Ñ (নাসিকা ধ্বনি-র জন্য) সংযোগে সৃষ্ট। রোহিঙ্গা ধ্বনি সঠিকভাবে বোঝার জন্য ৫টি স্বরধ্বনি (áéíóú) ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি আই.এস.ও দ্বারা স্বীকৃত।
ইতিহাস
অষ্টম শতাব্দীতে আরবদের আগমনের মধ্য দিয়ে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু হয়। আরব বংশোদ্ভূত এই জনগোষ্ঠী মায়্যু সীমান্তবর্তী অঞ্চলের (বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের নিকট) চেয়ে মধ্য আরাকানের নিকটবর্তী ম্রক-ইউ এবং কাইয়্যুকতাও শহরতলীতেই বসবাস করতে পছন্দ করতো। এই অঞ্চলের বসবাসরত মুসলিম জনপদই পরবর্তীকালে রোহিঙ্গা নামে পরিচিতি লাভ করে।
ম্রক-ইউ রাজ্য
ম্রক-ইউ রাজ্যের সম্রাট নারামেখলার (১৪৩০-১৪৩৪) শাসনকালে বাঙ্গালীদের আরাকানের বসবাসের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২৪ বছর বাংলায় নির্বাসিত থাকার পরে সম্রাট বাংলার সুলতানের সামরিক সহায়তায় পুনরায় আরাকানের সিংহাসনে আরোহন করতে সক্ষম হন। যে সব বাঙ্গালী সম্রাটের সাথে এসেছিল তারা আরাকানে বসবাস করতে শুরু করে।

সম্রাট নারামেখলা বাংলার সুলতানের দেওয়া কিছু অঞ্চল ও আরাকানের ওপর সার্বভৌমত্ব অর্জন করে। সম্রাট নারামেখলা পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং বাংলার প্রতি কৃ্তজ্ঞতা স্বরূপ আরাকানে বাংলার ইসলামী স্বর্ণমূদ্রা চালু করেন। পরবর্তীতে নারামেখলা নতুন মূদ্রা চালু করেন যার একপাশে ছিল বার্মিজ বর্ণ এবং অপরপাশে ছিল ফার্সী বর্ণ। বাংলার প্রতি আরাকানের কৃ্তজ্ঞতা ছিল খুবই অল্প সময়ের জন্য।

১৪৩৩ সালে সুলতান জালালুদ্দিন মুহাম্মদ শাহের মৃত্যু হলে সম্রাট নারামেখলার উত্তরাধিকারীরা ১৪৩৭ সালে রামু এবং ১৪৫৯ সালে চট্টগ্রাম দখল করে নেয়। ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম আরাকানের দখলে ছিল।বাংলার সুলতানদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পরেও আরাকানের রাজাগণ মুসলিম রীতিনীতি বজায় রেখে চলে। বৌদ্ধ রাজাগণ নিজেদেরকে বাংলার সুলতানদের সাথে তুলনা করতো এবং মুঘলদের মতোই জীবন যাপন করতো। তারা মুসলিমদেরকেও রাজদরবারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিত।

১৭ শতকের দিকে আরাকানে বাঙ্গালী মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তারা আরাকানের বিভিন্ন কর্ম ক্ষেত্রে কাজ করতো। যেহেতু রাজাগণ বৌদ্ধ হওয়ার পরেও বাংলার সুলতানদের রীতিনীতি অনুযায়ীই রাজ্য পরিচালনা করতো, তাই আরাকানের রাজদরবারে বাংলা, ফার্সী এবং আরবি ভাষার হস্তলিপিকরদের মধ্যে অনেকেই ছিল বাঙ্গালী। কামেইন বা কামান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী যারা মায়ানমার সরকারের নৃতাত্ত্বিক জাতিসত্ত্বার মর্যাদা পেয়েছে তারা আরাকানের মুসলিম জনগোষ্ঠীরই একটা অংশ ছিল।
বার্মিজদের দখল
১৭৮৫ সালে বার্মিজরা আরাকান দখল করে। এর পরে ১৭৯৯ সালে পঁয়ত্রিশ হাজারেরও বেশি মানুষ বার্মিজদের গ্রেফতার এড়াতে এবং আশ্রয়ের নিমিত্তে আরাকান থেকে নিকটবর্তী চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলে আসে। বার্মার শোসকেরা আরাকানের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে এবং একটা বড় অংশকে আরাকান থেকে বিতাড়িত করে মধ্য বার্মায় পাঠায়। যখন ব্রিটিশরা আরাকান দখল করে তখন যেন এটি ছিল একটি মৃত্যুপূরী। ১৭৯৯ সালে প্রকাশিত “বার্মা সাম্রাজ্য”তে ব্রিটিশ ফ্রাঞ্চিজ বুচানন-হ্যামিল্টন উল্লেখ করেন, “মুহাম্মদ(সঃ) – এর অনুসারীরা”, যারা অনেকদিন ধরে আরাকানে বাস করছে, তাদেরকে “রুইঙ্গা” বা “আরাকানের অধিবাসী” বলা হয়।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন
কৃষিকাজের জন্য আরাকানের কম জন অধ্যুষিত এবং উর্বর উপত্যকায় আশপাশের এলাকা থেকে বাঙ্গালী অধিবাসীদের অভিবাসন করার নীতি গ্রহণ করেছিল ব্রিটিশরা। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলাকে আরাকান পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিল। আরাকান ও বাংলার মাঝে কোন আন্তর্জাতিক সীমারেখা ছিল না এবং এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যাওয়ার ব্যাপারে কোন বিধি-নিষেধও ছিল না। ১৯ শতকে, হাজার হাজার বাঙ্গালী কাজের সন্ধানে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে আরাকানে গিয়ে বসতি গড়েছিল। এছাড়াও, হাজার হাজার রাখাইন আরাকান থেকে বাংলায় চলে এসেছিল।
১৮৯১ সালে ব্রিটিশদের করা এক আদমশুমারীতে দেখা যায়, আরাকানে তখন ৫৮,২৫৫ জন মুসলমান ছিল। ১৯১১ সালে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৮,৬৪৭ জন হয়। অভিবাসনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ বাংলার সস্তা শ্রম যা আরাকানের ধান ক্ষেতের কাজে লাগত। বাংলার এই অধিবাসীরা (বেশিরভাগই ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চলের) মূলত আরাকানের দক্ষিণেই অভিবাসিত হয়েছিল। এটা নিশ্চিত যে, ভারতের এই অভিবাসন প্রক্রিয়া ছিল পুরো অঞ্চল জুড়ে, শুধু আরাকানেই নয়।

ঐতিহাসিক থান্ট মিন্ট-ইউ লিখেছেন: “বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, বার্মায় আসা ভারতীয়দের সংখ্যা কোনভাবেই আড়াই লক্ষের কম নয়। এই সংখ্যা ১৯২৭ সাল পর্যন্ত বাড়তেই থাকে এবং অভিবাসীদের সংখ্যা হয় ৪৮০,০০০ জন, রেঙ্গুন নিউ ইয়র্ককেও অতিক্রম করে বিশ্বের বড় অভিবাসন বন্দর হিসেবে। মোট অভিবাসীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১.৩ কোটি (১৩ মিলিয়ন)।” তখন বার্মার রেঙ্গুন, আকিয়াব, বেসিন, প্যাথিন এবং মৌমেইনের মত অধিকাংশ বড় শহরগুলোতে ভারতীয় অভিবাসীরা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ শাসনে বার্মিজরা অসহায়ত্ব বোধ করত এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে তারা অভিবাসীদের উপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করত।

অভিবাসনের ফলে সংঘাত মূলত আরাকানেই ছিল সবচেয়ে প্রকট। ১৯৩৯ সালে, রোহিঙ্গা মুসলিম ও রাখাইন বৌদ্ধদের মধ্যকার দীর্ঘ শত্রুতার অবসানের জন্য ব্রিটিশ প্রশাসন জেমস ইস্টার এবং তিন তুতের দ্বারা একটি বিশেষ অনুসন্ধান কমিশন গঠন করে। কমিশন অনুসন্ধান শেষে সীমান্ত বন্ধ করার সুপারিশ করে, এর মধ্যে শুরু হয় ২য় বিশ্ব যুদ্ধ এবং এর পরে ব্রিটিশরা আরাকান ছেড়ে চলে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপানীদের দখল

রোহিঙ্গা গণহত্যা
১৯৪২ সালের ২৮শে মার্চ, মায়ানমারের মিনবিয়া এবং ম্রক-ইউ শহরে রাখাইন জাতীয়তাবাদী এবং কারেইনপন্থীরা প্রায় ৫,০০০ মুসলমানকে হত্যা করে। ইতোমধ্যে, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে প্রায় ২০,০০০ মুসলমানকে হত্যা করা হয়। এতে উপ-কমিশনার ইউ য়ু কিয়াও খায়াং-ও নিহত হন যিনি দাঙ্গা নিয়ণ্ত্রনের চেষ্টা করছিলেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, জাপানীরা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনস্হ বার্মায় আক্রমণ করে। ব্রিটিশ শক্তি পরাজিত হয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যায়। এর ফলে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরে। এর মধ্যে বৌদ্ধ রাখাইন এবং মুসলিম রোহিঙ্গাদের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছিল উল্লেখযোগ্য। এই সময়ে ব্রিটিশপন্হীদের সাথে বার্মার জাতীয়তাবাদীদেরও সংঘর্ষ হয়। জাপানীদের আক্রমণের সময় উত্তর আরাকানের ব্রিটিশপন্হী অস্ত্রধারী মুসলমানদের দল বাফার জোন সৃষ্টি করে। রোহিঙ্গারা যুদ্ধের সময় মিত্রপক্ষকে সমর্থন করেছিল এবং জাপানী শক্তির বিরোধিতা করেছিল, পর্যবেক্ষণে সাহায্য করেছিল মিত্রশক্তিকে।

জাপানীরা হাজার হাজার রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, ধর্ষণ এবং হত্যা করেছিল। এই সময়ে প্রায় ২২,০০০ রোহিঙ্গা সংঘর্ষ এড়াতে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলায় চলে গিয়েছিল।
জাপানী এবং বার্মাদের দ্বারা বারংবার গণহত্যার শিকার হয়ে প্রায় ৪০,০০০ রোহিঙ্গা স্হায়ীভাবে চট্টগ্রামে চলে আসে।

যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা
১৯৪৭ সালে রোহিঙ্গারা মুজাহিদ পার্টি গঠন করে যারা জিহাদি আন্দোলন সমর্থন করতো। মুজাহিদ পার্টির লক্ষ্য ছিল আরাকানে একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। তারা জেনারেল নে উইনের নেতৃত্বে ১৯৬২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। নে উইন তাদেরকে দমনের জন্য দুই দশকব্যাপী সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। উল্লেখযোগ্য একটি অভিযান ছিল “কিং ড্রাগন অপারেশন” যা ১৯৭৮ সালে পরিচালিত হয়। এর ফলে অনেক মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে এবং শরনার্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশ ছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যার রোহিঙ্গারা পাকিস্তানের করাচীতে চলে যায় (দেখুন পাকিস্তানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী)। এরপরও, বার্মার মুজাহিদরা আরাকানের দূর্গম এলাকায় এখনও সক্রিয় আছে।
বার্মিজ জান্তা
প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে বার্মা শাসন করছে মায়ানমারের সামরিক জান্তা। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য এরা বার্মিজ জাতীয়তাবাদ এবং থেরাভেদা বৌদ্ধ ধর্মীয় মতবাদ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে। আর এর ফলেই তারা রোহিঙ্গা, চীনা জনগোষ্ঠী যেমন – কোকাং, পানথাইদের(চীনা মুসলিম) মত ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাকে ব্যপকভাবে নির্যাতন করে থাকে। কিছু নব্য গণতন্ত্রপন্থী নেতা যারা বার্মার প্রধান জনগোষ্ঠী থেকে এসেছেন তারাও রোহিঙ্গাদের বার্মার জনগণ হিসেবে স্বীকার করেন না।
বার্মার সরকার রোহিঙ্গা ও চীনা জনগোষ্ঠীর মত ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গার উসকানি দিয়ে থাকে এবং এ কাজ তারা অতি সফলতার সাথেই করে যাচ্ছে।
রাখাইনে ২০১২ সালের দাঙ্গা
রাখাইনে ২০১২ সালের দাঙ্গা হচ্ছে মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিম ও বোদ্ধ রাখাইনদের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের ঘটনাপ্রবাহ। দাঙ্গা শুরু হয় জাতিগত কোন্দলকে কেন্দ্র করে এবং উভয় পক্ষই এতে জড়িত হয়ে পরে।
ধর্ম 
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মূলত ইসলাম ধর্মের অনুসারী। যেহেতু বার্মা সরকার তাদের পড়াশুনার সুযোগ দেয় না, তাই অনেকেই মোলিক ইসলামী শিক্ষাকেই একমাত্র পড়াশুনার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেছে। অধিকাংশ গ্রামেই মসজিদ এবং মাদ্রাসা (ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে, পুরুষরা জামাতে এবং মহিলারা বাড়িতেই প্রার্থণা করে থাকে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও শরণার্থী 
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বলা হয় “বিশ্বের সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত জনপদ” এবং “বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু”। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের ফলে তারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হন। তারা সরকারি অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করতে পারে না, জমির মালিক হতে পারে না এবং দুইটির বেশি সন্তান না নেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুসারে, ১৯৭৮ সাল থেকে মায়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লংঘনের শিকার হচ্ছে এবং তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে:

রোহিঙ্গাদের চলাচলের স্বাধীনতা ব্যপকভাবে নিয়ণ্ত্রিত এবং তাদের অধিকাংশের বার্মার নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। তাদের উপর বিভিন্ন রকম অন্যায় ও অবৈধ কর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের জমি জবর-দখল করা, জোর-পূর্বক উচ্ছেদ করা, ঘর-বাড়ি ধ্বংস করা এবং বিবাহের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও উত্তর রাখাইন রাজ্যে গত দশকে বাধ্যতামূলক শ্রমিকের কাজ করা কমেছে তারপরও রোহিঙ্গাদের রাস্তার কাজে ও সেনা ক্যাম্পে বাধ্যতামূলক শ্রমিকের কাজ করতে হচ্ছে।
১৯৭৮ সালে মায়ানমার সেনাবাহিনীর ‘নাগামান’ (‘ড্রাগন রাজা’) অভিযানের ফলে প্রায় দুই লক্ষ (২০০,০০০) রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। সরকারিভাবে এই অভিযান ছিল প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে সব বিদেশী অবৈধভাবে মায়ানমারে বসবাস করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এই সেনা অভিযান সরাসরি বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছিল এবং ফলে ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ ও মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ঘটে।
১৯৯১-৯২ সালে একটি নতুন দাঙ্গায় প্রায় আড়াই লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। তারা জানায় রোহিঙ্গাদের বার্মায় বাধ্যতামূলক শ্রম প্রদান করতে হয়। এছাড়া হত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের স্বীকার হতে হয়। রোহিঙ্গাদের কোনো প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করতে হত।
২০০৫ সালে, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বিভিন্ন ধরণের মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে এই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।

 

তথ্যটি ডাউনলোড কখনে                 ক্লিক করুন এখনে

logo-opinion2-1-copy

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

 

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা ও বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা ও বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

741312_534311849926658_661818523_o-copy

বাংলা সাহিত্যে চরিত্র স্রষ্টা 

#বাংলা সাহিত্যে সৃষ্ট প্রথম চরিত্র কোনটি?
উঃ নিরঞ্জন (শূন্য পূরণ)।

#‘অমল’ চরিত্রের স্রষ্টা নাট্যকার কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ডাকঘর)।

#‘ঠকচাচা’ নামক চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।

#‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?

উঃ কষ্ণকান্তেরৃ উইল।

#‘চাঁদ সওদাগর’ বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র?
উঃ মনসামঙ্গল।

#রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (শ্রীকান্ত)।

#‘অমিত ও লাবন্য’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।

#‘ললিতা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গোরা)।

#‘ললিতা ও শেখর’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পরিনীতা)।

#‘রতন ও দাদাবাবু’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পোষ্ট মাস্টার)।

#‘হেমাঙ্গিনী’ ও ‘কাদম্বিনী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (মেজদিদি)।

#‘কুবের’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?

উঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পদ্মানদীর মাঝি)।

#‘মহিম, সুরেশ ও অচলা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (গৃহদাহ)।

#‘দীপাঙ্কর (দীপু), সতী, লক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ বিমল মিত্র (কড়ি দিয়ে কিনলাম)।

#‘দীপাবলী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?

উঃ সমরেশ মজুমদার (দীপাবলী)।

#‘রমা ও রমেশ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পল্লী সমাজ)।

#‘ষোড়শী ও নির্মল’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেনা-পাওনা)।

#‘সতীশ ও সাবেত্রী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চরিত্রহীন)।

#‘নবকুমার কপালকুন্ডলা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (কপালকু-লা)।

#‘নবীন মাধব’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (নীল দর্পণ)।

#‘ঘটিরাম ডেপুটি ও নিমচাঁদ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (সধবার একাদশী)।

#‘নন্দলাল’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিবাহ-বিভ্রাট)।

#‘দেবযানী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিদায়-অভিশাপ)।

#‘নন্দিনী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রক্তকরবী)।

‘রাইচরণ’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।

#‘মৃন্ময়ী ও অপূর্ব’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমাপ্তি)।

#‘সুরবালা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (একরাত্রী)।

#‘পার্বতী ও চন্দ্রমূখী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেবদাস)।

 বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

চর্যাপদ কোন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে? উঃ বঙ্গীয় সাহিত্যে পরিষদ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে? উঃ পাঠান সুলতানগণ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম? উঃ শ্রী চৈতন্যদেব।
কার অনুপ্রেরণায় মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুদিত হয়? উঃ নাসিরউদ্দিন নসরৎ শাহের।
কার রাজত্বকালে বাংলার লৌকিক কাহিনী মনসামঙ্গল রচিত হয়? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
চৈতন্য ভাগবত কার সময় রচিত হয়? উঃ গিয়াসুদ্দীন মাহমুদ শাহের।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস রামায়ণের অনুবাদ করেন? উঃ জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহের।
কবি বিদ্যাপতি ও শেখ কবির কার আদেশে বৈঞ্চবপদ কাব্য রচনা করেন? উঃ নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের।
কবি বিজয়গুপ্ত কার আদেশে মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক? উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহ।
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর কোন কাব্যটি রচনা করেন? উঃ ইউসূফ- জুলেখা।
নসীয়তনামা কাব্য কার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত? উঃ শ্রীসুধর্মের।
কার আদেশে সয়ফুল-মূলক রচিত হয়? উঃ সৈয়দ মুসার আদেশে।
কার আদেশে আলাওল সতীময়না কাব্য রচনা করেন? উঃ লস্কর উজীর আশরাফ খানের।
কবি জৈনুদ্দিন কার সভাকবি ছিলেন? উঃ গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহেব।
রসুল বিজয় কাব্য কার অনুপ্রেরণায় রচিত হয়? উঃ শামসুদ্দীন ইউসূফ শাহের।
মহা বংশাবলী নামক সামাজিক ইতিহাস গ্রন্থের পৃষ্ঠপোষক কে? উঃ সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ-ই-শাহ।
বাংলায় সর্বপ্রথম বিদ্যাসাগর কাহিনী কার আমলে রচিত হয়? উঃ হুসেন শাহের আমলে।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতচন্দ্র বিদ্যাসুন্দর রচনা করেন? উঃ রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র্রের।
কোন কবি গিয়াস উদ্দীন আযম শাহের রাজা কর্মচারী ছিলেন? উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
কবি মালাধর বসুর পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন? উঃ শামসউদ্দিন ইউসুফ শাহ।
রাজা লক্ষন সেনের সভাকবি কে ছিলেন? উঃ ভারতচন্দ্র ।
হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কে কাব্য চর্চা করেন? উঃ রূপ গোস্বামী।
কবীন্দ্র পরমেশ্বর কার আদেশে বাংলায় মহাভারত রচনা করেন? উঃ পরাগল খানের।
ছুটি খানের সভাকবি কে ছিলেন? উঃ শ্রীকর নন্দী।
আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন? উঃ মাগন ঠাকুরের অনুরোধে।
কবি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কোন নৃপতি? উঃ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ।

পি ডি এফ ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে

 

 CLICK HERE FOR MORE

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

প্রিয় বন্ধু, ভাই ও বোনের জন্য ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুণ আমাদের পেজটি।

Thanks you

BCS and Govt Job Model Test for practice

BCS and Govt Job Model Test for practice

 

rtr

 

বেশ কিছুদিন হল আমারা চাকুরী প্রার্থীদের প্রস্তুতির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের মডেল টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অনেকেই একটা ছোট ভুল করি। সেটা হল আমরা কোচিং করি, বই পড়ি, অনেকের কাছ থেকে নির্দেশিকা নিই। কিন্তু পরীক্ষার আগে অনুশীলন করতে ভুলে যাই। সেজন্য পরীক্ষার হলে গিয়ে অনেক জানা জিনিস বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ভুলে যাই।

মানুষের ব্রেন confusion মধ্যে পড়লে সঠিক পথ বের করে নেয়। কিন্তু সময় একটা গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। চাকরীর ক্ষেত্রে আপনার সময়টা সীমিত থাকে। এই জন্যে আপনার সঠিক ভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে অনুশীলনের কোন বিকল্প নেই।
আর এই অনুশীলনের জন্য আমরা নিয়মিত পোস্ট করছি নানা বিষয়ে। আপনার আমাদের এখান থেকে সরাসরি pdf file নামিয়ে নিয়ে প্রিন্ট করে নিতে পারনে।
আশা করি আপনাদের প্রয়োজনীয়তা আমাদের কে উৎসাহ প্রদান করবে আপনাদের পাশে থাকার। আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা এই পোস্টগুলি Pdf file আকারে প্রদান করছি। আপনাদের উপকারে আসলেই কেবল মাত্র আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।
সর্বদা আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে আমাদের পেজ এ লাইক দিয়ে রাখুন এবং শেয়ার করে জানিয়ে দিন অন্যকে। ধন্যবাদ।

 

The preparation of candidates for a job for quite some time, we are trying to test the model in a variety of subjects. Many of us make a small mistake. We think it is coaching, read a book, take guidance from many people. But fail to practice before the test. When the test came to know that a lot of things forgotten in most cases. If you take out the right way in the human brain confussion. But the important thing is time. Your time is limited to employment. This is the right way for you to answer all the questions, there is no substitute for practice.
And we have to practice regularly on various topics are posted. Away from us directly to your pdf file to print.
I hope you will encourage us need to stay beside you. Thinking about your convenience, we’ve provided in the form of these posts Pdf file. I just really handy to be worth our trouble.
Always stay connected with us through our pages like this place, and tell others to share. Thank you.

 

Download Full PDF File from here and Print NOW :

xsx

 

BCS and Govt Job Model Test for practice

 

CLICK HERE FOR MORE

 

To read online please click here or Comment to us .

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

Thanks you

 

Useful Job Questions Suggestions from Liberation War

Useful Job Questions and Solutions, Suggestions about Past position of Liberation War in Bangladesh upto Liberation War , getting independent and A word of Freedom fighter.   

 

3njd3adb dh2edaxc muktijodha-6401

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্র আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে।

বিভিন্ন চাকুরী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে  বিভিন্ন উপায়ে নানা রকম প্রশ্ন করা হয়। এই প্রশ্নের উত্তর গুলা সহজে মনে রাখতে প্রচুর অনুশীলনের প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যে আমারা নিয়মিত এই বিষয়ে অনুশীলনের জন্য মডেল টেস্ট প্রদান করছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।

দ্রুততার সাথে কাজ করতে গিয়ে কতটা লোড নিতে হয়েছে, তা যে নেয়নি, সে বুঝবে না। যাই হোক, আমার এ কষ্ট যদি কারও ন্যুনতম উপকারে আসে তবে আমার ভাল লাগবে।

Bangladesh Liberation War was committed in 1971 against the then West Pakistan and East Pakistan armed struggle, map of the world in which Bangladesh emerged as an independent nation. March 5, 1971, the night the Pakistani army in East Pakistan in the form of a people’s war of liberation as well as the destruction falling into the War of Independence began.

Bangladesh Liberation War in different jobs and university admission exam questions is about a variety of different ways. Keep in mind that dissolve easily answer this question requires a lot of practice. The purpose of this exercise on a regular basis we are providing the model for the test. I hope many of you will come in handy.

How to load quickly went to work, and that it did not, he did not understand. Anyway, for me at least someone in trouble, but I’ll come in handy.

Full Credit Goes to Admin

Download Full PDF File from here and Print NOW :

 

 

xsx

https://bdgovtjobcircular.com/wp-content/uploads/2016/11/বাংলাদেশের-স্বাধীনতা-যুদ্ধ-এর-ইতিহাস-বিষয়ক-সাধারণ-প্রশ্ন-উত্তর.pdf

 

 

To read online please click here or Comment to us .

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.

Thank you

Useful Bank Job Questions and Solutions,Suggestions from India Bix

Get Useful Bank Job Questions and Solutions,Suggestion From indiabix.com

শুধু আপনাকেই বলছি, আর কেউ যেন না জানে, অবশেষে ধৈর্যের ফল মিষ্টি হতে যাচ্ছে। যারা আমাকে চিনেন এবং জানেন, তারা নিশ্চিতভাবেই জানেন যে indiabix.com pdf আকারেই পাওয়া যাবে।

ব্যাংক জবের preparation নিবেন কিন্তু indiabix.com আপনার কাছে থাকবে না- এটা তো হয় না, দাদা। তারপরও যদি না থাকে তাহলে প্রিলিতে আপনার কমন কত মার্কস নাই তার হিসাব করতে ক্যালকুলেটরের বাটনের জীবনাবসান ঘটবে। কী দরকার! সমস্ত হিসাব-কিতাব শিকেয় তুলে রেখে ফাইলটি ডাউনলোড করে অতি অবশ্যই প্রিন্ট করে নিন। মার্কস আপনার দরজায় কড়া নাড়বে। বুকমার্ক মেন্যুটা তৈরি করিনি এজন্য যে, এটার হার্ডকপিটাই আপনার জন্য জরুরী। প্রিলি দিয়ে এসে রিটেনের preparation নিবেন জোরসে। কারন, “যেখানে টেলিফোনে কথা বলা জরুরী, সেখানে সরাসরি চলে যাওয়াই উচিত”। কথাটা আমার নয়। বলেছেন, এপিজে আবদুল কালাম তার “Wings of Fire” নামক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে।

দ্রুততার সাথে কাজ করতে গিয়ে কতটা লোড নিতে হয়েছে, তা যে নেয়নি, সে বুঝবে না। যাই হোক, আমার এ কষ্ট যদি কারও ন্যুনতম উপকারে আসে তবে আমার ভাল লাগবে।

Full Credit Goes to writer Md Mohsin 

 

Read full Useful Bank Job Questions and Solutions,Suggestion From indiabix.com. In this file including

English

Computer technology

Mathematics

 

Firstly You will get full questions ,solutions and suggestion about English with full explanation and mcq questions and answers. Then you will get full questions ,solutions and suggestion about Computer technology with full explanation and mcq questions and answers. Lastly you will get full questions ,solutions and suggestion about Mathematics  with full explanation and mcq questions and answers.

This is only not your suggestion this is most important to learn new something. Get latest suggestion for bank Job Preparation.We will hope that this file will help you to complete your hardest Bank Job Preparation .

 

Download Full PDF File from here and Print NOW : useful-bank-job-questions-and-solutionssuggestions-from-india-bix

To read online please click here or Comment to us .

BD Govt Job Circular Official Facebook Page

Please connect all time with us on Facebook : https://www.facebook.com/bdgovtjobspreparation/

Don’t Forget to like our facebook page Please.
Thanks you

General Knowledge For Jobs and Admission Examination

General Knowledge questions and Answers For jobs and Admission Test

 

bdgovtjobcircular

 

১. বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত?
উঃ ৭.১১ শতাংশ
২. বাংলাদেশের মাতাপিছু আয় কত?
উঃ ১৪৬৫ মার্কিন ডলার
৩. মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিবাচন কবে?
উঃ ৮ নভেম্বর
৪.মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক নাটক ‘‘ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” এর রচয়িতা কে?
উঃ সৈয়দ শামসুল হক
৫. “হেলমন্দ প্রদেশ ” কোন দেশে অবস্থিত?
উঃ আফগানিস্তান
৬. থাইল্যান্ডের সদ্যপ্রায়াত রাজা ভুমিবল কত বছর রাজসিংহসনে ছিলেন?
উঃ ৭০ বছর
৭.থাইল্যান্ডের সদ্যপ্রায়াত রাজা ভুমিবল কত তারিখে মারা যান?
উঃ ১৩ অক্টোবর ২০১৬
৮. সংখ্যলঘু রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের আবাস কোন দেশে?
উঃ মিয়ানমারে
৯. “আলোপ্পো” শহরটি কোন দেশে?
উঃ সিরিয়ায়
১০. “মসুল” শহরটি কোন দেশে?
উঃ ইরাকে
১১. “রুতবা”শহরটি কোন দেশে?
উঃ ইরাকে
১২. ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠা কে?
উঃ ডাস্টিন মস্কোভিৎসের
১৩. ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের নাম কি?
উঃ রদ্রিগো দুতার্তে
১৪. “হিথরো” বিমানবন্দন কোন দেশে অবস্থিত?
উঃ যুক্তরাজ্যে
১৫. “হিউম্যান রাইটস ওয়াস” কি?
উঃ যুক্তরাষ্ট্রভিক্তিক মানবাধিকার সংগন
১৬. গ্রিনপিসের প্রধান কে?
উঃ জন সাউভেন
১৭. “ব্রহ্মসমাজ” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
উঃ রাজা রামমোহন রায়
১৮. “ব্রহ্মসমাজ” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৮২৮ সালে
১৯. “ব্রহ্মসমাজ” এর প্রতিষ্ঠাকালিন নাম কি ছিল?
উঃ ব্রহ্মসভা
২০. বাংলাদেশে ব্রহ্ম সমাজের মন্দিরটি কোথায়?
উঃ ঢাকার পাটুয়াটুলি
২১. বাংলাদেশে ব্রহ্ম সমাজের মন্দিরটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৮৬৯ সালে
২২. “ ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী” বইটি কার লেখা?
উঃ মুনতাসির মামুন
২৩. বাংলাদেশে ব্রহ্ম সমাজের মন্দিরটিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কত সালে এসেছিলেন?
উঃ ১৯২৬ সালে
২৪. ‘‘ লেডি বাগান পার্ক” কোথয় অবস্থিত?
উঃ পুরান ঢাকার বংশালে
২৫. “ক্যাপিটাল” গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ কাল মার্ক্স
২৬. ব্যাংক কোম্পানি আইন করা হয় কত সালে?
উঃ ১৯৯১ সালে
২৭. শ্রম আইন করা হয় কত সালে?
উঃ ২০০৬ সালে

1 2 3 4